Breaking News
Home / খেলার খবর / যে বিশ্বকাপে ছিল না ‘ফাইনাল’

যে বিশ্বকাপে ছিল না ‘ফাইনাল’

ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিন্তু হবে না কোনো ফাইনাল ম্যাচ। এমনটা ভাবা যায়? ফুটবল বিশ্বকাপের একবার অভিজ্ঞ হয়েছে এমন। একমাত্র ১৯৫০ বিশ্বকাপে হয়নি কোনো ফাইনাল ম্যাচ। পয়েন্টের টেবিলের শীর্ষ দল হয় চ্যাম্পিয়ন। যদি বলা হয় কোন ক্রীড়াযজ্ঞ গোটা বিশ্বকে এ সুতোয় বাঁধতে পারে?

সেটি নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপ ফুটবল। আবার কখনো কখনো গোটা বিশ্বকে দুই ভাগে ভাগও করে দিতে পারে এই বিশ্ব আসর। ফুটবলকে ঘিরে এমন উন্মাদনায় মাততে অধীর আগ্রহে ভক্তরা অপেক্ষায় থাকেন চারটি বছর। ১৯৩০ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রতিটি আসরই উপহার দিয়েছে নানা ঘটনার।

যার জন্য বিশেষভাবে আসরগুলো জায়গা করে নিয়েছে ভক্তদের হৃদয়ে। চোখ রাখা যাক ১৯৫০ বিশ্বকাপের দিকে। কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত ২২তম আসর হতে যাচ্ছে এই মহাযজ্ঞের। বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু ছিল না কোনো ফাইনাল ম্যাচ। এখন পর্যন্ত একবারই এমন ঘটনা ঘটেছে বিশ্বকাপ ফুটবলে।

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর যখন ইউরোপ বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তখন অনেক দেশই আসরটি আয়োজন করতে অনিচ্ছুক ছিল। তখন ব্রাজিল আর জার্মানি ফিফার কাছে আবেদন করে আসরটি আয়োজনের। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল সুযোগ পায় বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বাগতিক হওয়ার।১৬ দেশ কোয়ালিফাই করলেও শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড,

ফ্রান্স এবং ভারত নাম প্রত্যাহার করে নেয়। সেই আসরে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে খেলেনি আর্জেন্টিনাও। শেষ পর্যন্ত ১৩ দল নিয়ে মাঠে গড়ায় বিশ্বকাপ। দল সংখ্যা কম হওয়ায় ব্রাজিল ফিফার কাছে প্রস্তাব করে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা আয়োজনের। বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিতে সেলেসাওদের ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্রাজিলের প্রস্তাবে সম্মত হয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ফলে এই আসরে ছিল না ফাইনাল ম্যাচ। স্বাগতিক ব্রাজিল আসরে দুর্দান্ত খেললেও স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এসে অপ্রত্যাশিতভাবে উরুগুয়ের কাছে হেরে যায় তারা। দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে। স্বাগতিকদের এমন পরিণতিতে ঘটে ছিল এক মর্মান্তিক ঘটনা। বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দর্শক উপস্থিত হয়েছিল সেদিন মারাকায়।

প্রায় ২ লাখ ভক্তের সামনে থেকে স্বাগতিকদের হারিয়ে ট্রফি নিয়ে যায় উরুগুয়ে। ব্রাজিল হেরে খালি হাতে বিদায় নেয়া মেনে নিতে পারেননি সমর্থকরা। সে সময় প্রায় শতাধিক ভক্তের হার্ট অ্যাটক হয়েছিল।

যার জন্য আসরটি অন্যরকমভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে সেলেসাওদের কাছে। যা কিনা বিশ্ব ফুটবলে পরিচিত দ্য ব্লো অব মারাকানা নামে।

Check Also

পুরো বিশ্বকে চমকিয়ে সবচেয়ে ভয়ংকর স্লোয়ার ফাস্ট বোলার এক টাইগার পেসার

২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন মুস্তাফিজুর রহমান। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.