Home / বাংলা হেল্‌থ / লম্বা রেসের ঘোড়া হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মৃত্যুঞ্জয়

লম্বা রেসের ঘোড়া হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মৃত্যুঞ্জয়

যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী নিজেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করে তবেই জাতীয় দলে আসতে চান। যুবদলে সবসময় দাপটের সাথে খেলায় তার আত্মবিশ্বাস আছে তিনি জাতীয় দলকেও ভালো কিছু দিতে পারবেন। ২০২০ সালে বিশ্বকাপজয়ী যুবদলের সাথে দুই বছর ছিলেন মৃত্যুঞ্জয়। তবে বিশ্বকাপ জয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে তিনি ছিলেন বাংলাদেশে।

দলের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গেলেও বিশ্বকাপের মাঝপথে চোটে পড়েন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। ফলে আসর শেষ হওয়ার আগেই ফিরে আসেন দেশে। তবে বিশ্বকাপজয়ী দলটিতে লেখা আছে তার নামও। বিশ্বকাপের সময় পাওয়া সেই চোট লম্বা সময়ই ভুগিয়েছে মৃত্যুঞ্জয়কে। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা শুরু করেছেন। প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ও ওয়ানডে ম্যাচে ভালো খেলেছেন।

বিশেষ করে ওয়ানডে সিরিজে ভালো বোলিং দিয়ে নজর কেড়েছেন। ব্যাটিংয়ে আরও অনেক উন্নতি করে পরিণত হয়ে প্রবেশ করতে চান জাতীয় দলে। মৃত্যুঞ্জয় বলেন, আমি এটা চাই না, জাতীয় দলে ঢুকেই এক-দুইটা সিরিজ খেলেই ঝরে পড়তে। আমার পরিকল্পনা আছে, আমি লম্বা সময় ধরে জাতীয় দলে খেলব। এটার জন্য যা করা লাগে তা চেষ্টা করছি। আল্লাহর রহমতে বোলিং খুব ভালো হচ্ছে। ব্যাটিংয়ে আরও মনোযোগ দিতে হবে,

আরও অভিজ্ঞতা লাগবে। আত্মবিশ্বাসের সাথে তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ দুইটাই ভালো করতে পারলে, নিজেই যখন বুঝব যে আমি লম্বা সময় দলকে সার্ভিস দিতে পারব, তখনই আমার খেলার বা ভালো কিছু করার সম্ভাবনা থাকবে। যুবদলে মৃত্যুঞ্জয়ের সতীর্থ পেসার শরিফুল ইসলাম এখন তিন সংস্করণেই জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ। ব্যাটার মাহমুদুল হাসান টেস্ট ক্রিকেটে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

অলরাউন্ডার শামীম হোসেন পাটোয়ারি জাতীয় দলের পক্ষে বিশ্বকাপও খেলে ফেলেছেন। সতীর্থদের এই অর্জনকে নিজের জন্যও প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন মৃত্যুঞ্জয়। মৃত্যুঞ্জয়ের ভাষ্যমতে, তাদের সাথে প্রতিনিয়ত কথা হয়, তারা খোঁজখবর নেয়। আমাদের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সতীর্থরা সবাই খুব ভালো। সবাই এখনো সবার খোঁজখবর নেয়। আফসোস হয় না। তারা খেলছে, এটা আমার একটা প্রাপ্তি। কারণ সতীর্থ ছিলাম।

আমি এতদিন খেলায় ছিলাম না, তারা ভালো খেলেছে। নিজের আত্মবিশ্বাসের রহস্যও প্রকাশ করেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, প্রাপ্তি বিষয় এইজন্য বলছি যে আমি যে দুই বছর তাদের সাথে খেলেছি, খুব ভালো খেলেছিলাম, দাপট দেখিয়েছিলাম। তাই আমার আত্মবিশ্বাস আছে, আমিও ওখানে যেতে সামর্থ্যবান। আমারও আশা আছে।

Check Also

টেস্টের বিশ্বসেরা বোলার হতে চাই: তাসকিন

ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফরম্যাট বলা হয় টেস্টকে। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আবির্ভাবের পর তারকাদের মধ্যে দেখা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.