Home / খবর / যশ আগে বিয়ে করেছিলেন, ১০ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে!

যশ আগে বিয়ে করেছিলেন, ১০ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে!

টালিউড অভিনেত্রী নুসরাতের সঙ্গে প্রেম, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকাসহ নানা কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। এখনও নায়িকা তার সন্তানের বাবার নাম জানাননি। তবে ঈশানের সব বিষয়ে যশের উপস্থিতি জল্পনা আরও উস্কে দিচ্ছে।

এর মধ্যেই যশকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করল কলকাতার প্রভাবশালী পত্রিকা আনন্দবাজার।

জানা গেছে, নুসরাতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে যশ বিয়ে করেছিলেন। সেই ঘরে ১০ বছরের ছেলে সন্তানও রয়েছে। তবে আগের স্ত্রীর সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়েছে। যশের বিয়ে ও সন্তান থাকার বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল।

যশের সাবেক স্ত্রীর নাম শ্বেতা সিংহ কালহানস। মুম্বাইয়ের বাসিন্দা এই নারী এক সংবাদমাধ্যমের কর্মী।

শ্বেতা বলেন, আমি আমার মতো আছি। মুম্বাইয়ে থাকি। সংবাদমাধ্যমে কাজ করি।

তিনি বলেন, যশ ও আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে। একটা কথা বলি, যশ এখন এমনিতেই বিতর্কের মধ্যে আছে। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক নিয়ে খুব বেশি কিছু বলব না।

শ্বেতা: মুম্বাইয়ে যশের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমাদের ১০ বছরের ছেলেও আছে। যশের সাবেক স্ত্রী বলে কেউ আপনাকে চেনে না কেন- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো দিন সামনে আসিনি। তাই হয়তো।

নুসরাত জাহানের সঙ্গে যশের সম্পর্ক নিয়ে শ্বেতা বলেন, আমি নুসরাতকে দেখেছি। কিন্তু চিনি না। তাই কিছু বলতে চাই না।

তিনি আরও বলেন, যশের মেলামেশা করার একটা পদ্ধতি আছে। সেটাও জানি আমি। তবে আমার মনে হয় এ বার সময় হয়েছে! ভবিষ্যতে যশ কীভাবে নিজেকে প্রকাশ করবে, তার সিদ্ধান্ত এ বার তার নিয়ে নেওয়া উচিত।

যশকে এখনও ভালবাসেন কিনা জানতে চাইলে শ্বেতা বলেন, যশ আমার ছেলের বাবা। তার সঙ্গে সেই সূত্র ধরে যেটুকু যোগাযোগ রাখতে হয় রাখি। আমাদের সন্তান পারস্পরিক হেফাজতের অধীনে।

ডিভোর্সের সময় আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আর ভালবাসা? যশ যে দিন আমাদের পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছিল, সে দিন থেকেই তার জন্য আমার ভালোবাসা উধাও হয়ে গেছে।

একমাত্র ছেলে তার সঙ্গে থাকে না বলেও জানান যশের সাবেক স্ত্রী। শ্বেতার ভাষ্য, সব মিটিয়ে দিয়েছি। আমার অতীত নিয়ে অনেক দিন থেকেই ভাবনাচিন্তা বন্ধ করে দিয়েছি।

Check Also

ঠোঁট কেটেছেন রাকুল!

লুক পরিবর্তনের জন‌্য নায়িকাদের লিপ সার্জারি নতুন কিছু নয়। বহু নায়িকা নিজেদের শরীরি সৌন্দর্য বাড়িয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *